পৃথিবীর অনেকে দেশে ৬মাস দিন ৬মাস রাত থাকে। তারা কিভাবে নামাজ রোজা পালন করবে? বর্তমানে আমরা ঘড়ি থেকে সময় নির্ধারণ করতে পারি। কিন্তু যখন ঘড়ি ছিলোনা তখন তারা কিভাবে নামাজ রোজা পালন করতো?
যেসব এলাকায় পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের স্বাভাবিক সময় পাওয়া যায় না যেমন : সূর্য অস্ত যাওয়ার সাথে সাথেই সূর্য উদয় হয়ে যায় বা অনেক দিন সূর্য উদয় হয় না বা অস্ত যায় না যেমন—উত্তর মেরু ও দক্ষিণ মেরু, সেসব এলাকার মুসলমানদের উপরও প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করা এবং রমযান মাসে রোযা রাখা ফরয। এসব এলাকায় নামায-রোযার সময় নির্ধারণের জন্য করণীয় হল, তাদের সবচেয়ে নিকটবর্তী যে এলাকায় পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের সময় পাওয়া যায় সে এলাকার সময়ের সাথে মিলিয়ে তারা নামায-রোযা আদায় করবে।
হাদীসে এসেছে,
قُلْنَا: يَا رَسُولَ اللهِ وَمَا لَبْثُهُ فِي الْأَرْضِ؟ قَالَ: «أَرْبَعُونَ يَوْمًا، يَوْمٌ كَسَنَةٍ، وَيَوْمٌ كَشَهْرٍ، وَيَوْمٌ كَجُمُعَةٍ، وَسَائِرُ أَيَّامِهِ كَأَيَّامِكُمْ» قُلْنَا: يَا رَسُولَ اللهِ فَذَلِكَ الْيَوْمُ الَّذِي كَسَنَةٍ، أَتَكْفِينَا فِيهِ صَلَاةُ يَوْمٍ؟ قَالَ: «لَا، اقْدُرُوا لَهُ قَدْرَهُ»
আমরা জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! দাজ্জাল কতদিন জমিনে অবস্থান করবে? তিনি বললেন, চল্লিশ দিন। তবে তখনকার একদিন হবে এক বছরের সমান, এবং একদিন হবে এক মাসের সমান আর একদিন হবে এক সপ্তাহের সমান। আর অন্যান্য দিনগুলো হবে তোমাদের স্বাভাবিক দিনগুলোর ন্যায়। আমরা জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আচ্ছা বলুন তো সেই একদিন যা এক বছরের সমান হবে, সে দিবসে কি আমাদের পক্ষে এক দিনের নামাযই যথেষ্ট হবে? তিনি বললেন, না। বরং সে দিবসে এক একদিন পরিমাণ হিসেব করে নামায আদায় করতে হবে। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-২৯৩৭]