প্রশ্ন
পৃথিবীর সকল রাষ্ট্র যদি মুরতাদ এর শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে, তাহলে মানুষ ইসলাম গ্রহণ করবে কীভাবে? ইসলাম বিস্তৃত হবে কীভাবে?
অফিসিয়াল উত্তর
প্রথমেই একটি বিষয় পরিষ্কার করা দরকার। *মুরতাদ* বলতে সেই ব্যক্তিকে বোঝায়, যে ইসলাম গ্রহণ করার পর স্বেচ্ছায় ইসলাম ত্যাগ করে। পক্ষান্তরে, যারা কখনো ইসলাম গ্রহণই করেনি তারা মুরতাদ নয়; তারা অমুসলিম বা কাফের।
সুতরাং, মুরতাদের শাস্তির বিধান অমুসলিমদের ইসলাম গ্রহণের পথে কোনো বাধা সৃষ্টি করে না। ইসলাম তো গ্রহণ করবে সেইসব অমুসলিম মানুষ, যাদের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাবে এবং যারা সত্যকে উপলব্ধি করে স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করবে।
আর মুরতাদের শাস্তির বিষয়টি ইসলামী রাষ্ট্রের প্রেক্ষাপটে বুঝতে হবে। ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী প্রকাশ্য ধর্মত্যাগ কেবল ব্যক্তিগত বিশ্বাস পরিবর্তনের বিষয় নয়; এটি ইসলামী রাষ্ট্র ও মুসলিম সমাজের বিরুদ্ধে এক ধরনের বিদ্রোহ ও আনুগত্য ভঙ্গ হিসেবেও বিবেচিত হয়েছে। এ কারণেই ইসলামী ফিকহে এর জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।
আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার দিকেও তাকালে দেখা যায়, অধিকাংশ দেশই রাষ্ট্রদ্রোহ, গুপ্তচরবৃত্তি বা জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের জন্য কঠোর শাস্তি, এমনকি মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত প্রদান করে। ইসলামী আইনেও মুরতাদের বিষয়টি একই ধরনের রাষ্ট্রিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে বিবেচিত হয়েছে।
অতএব, "মুরতাদের শাস্তি থাকলে ইসলাম বিস্তৃত হবে না"— এই আপত্তি সঠিক নয়। কারণ ইসলাম বিস্তৃত হয় অমুসলিমদের কাছে দাওয়াত পৌঁছানোর মাধ্যমে, মুরতাদদের মাধ্যমে নয়। আর মুরতাদের বিধান ইসলাম গ্রহণের পূর্ববর্তী ব্যক্তিদের জন্য নয়; বরং ইসলাম গ্রহণের পর ইসলামী রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে নির্দিষ্ট অবস্থার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
সুতরাং, মুরতাদের শাস্তির বিধান অমুসলিমদের ইসলাম গ্রহণের পথে কোনো বাধা সৃষ্টি করে না। ইসলাম তো গ্রহণ করবে সেইসব অমুসলিম মানুষ, যাদের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাবে এবং যারা সত্যকে উপলব্ধি করে স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করবে।
আর মুরতাদের শাস্তির বিষয়টি ইসলামী রাষ্ট্রের প্রেক্ষাপটে বুঝতে হবে। ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী প্রকাশ্য ধর্মত্যাগ কেবল ব্যক্তিগত বিশ্বাস পরিবর্তনের বিষয় নয়; এটি ইসলামী রাষ্ট্র ও মুসলিম সমাজের বিরুদ্ধে এক ধরনের বিদ্রোহ ও আনুগত্য ভঙ্গ হিসেবেও বিবেচিত হয়েছে। এ কারণেই ইসলামী ফিকহে এর জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।
আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার দিকেও তাকালে দেখা যায়, অধিকাংশ দেশই রাষ্ট্রদ্রোহ, গুপ্তচরবৃত্তি বা জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের জন্য কঠোর শাস্তি, এমনকি মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত প্রদান করে। ইসলামী আইনেও মুরতাদের বিষয়টি একই ধরনের রাষ্ট্রিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে বিবেচিত হয়েছে।
অতএব, "মুরতাদের শাস্তি থাকলে ইসলাম বিস্তৃত হবে না"— এই আপত্তি সঠিক নয়। কারণ ইসলাম বিস্তৃত হয় অমুসলিমদের কাছে দাওয়াত পৌঁছানোর মাধ্যমে, মুরতাদদের মাধ্যমে নয়। আর মুরতাদের বিধান ইসলাম গ্রহণের পূর্ববর্তী ব্যক্তিদের জন্য নয়; বরং ইসলাম গ্রহণের পর ইসলামী রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে নির্দিষ্ট অবস্থার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।