ইসলামে জিহাদের বিধান; জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ বর্তমান সময়ে অমুসলিম মহলে জিহাদ সম্পর্কে নানা ধরনের অপব্যাখ্যা ও অপপ্রচার লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে অনেকেই জিহাদকে সন্ত্রাসবাদ বা নির্বিচার সহিংসতার সাথে তুলনা করে ইসলাম সম্পর্কে একটি ভুল ধ
রাতের আকাশের দিকে তাকালে একটি স্বাভাবিক প্রশ্ন মনে জাগে। এই মহাবিশ্বের শুরু কি কখনো হয়েছিল, নাকি এটি অনন্তকাল ধরে বিদ্যমান?
কালাম কসমোলজিক্যাল আর্গুমেন্টের একটি মৌলিক প্রস্তাবনা হলো “মহাবিশ্বের একটি সূচনা বা শুরু রয়েছে।” আর যেহেতু যার সূচনা আছে তার একটি কারণও রয়েছে, তাই মহাবিশ্বেরও একটি কারণ থাকা আবশ্যক।
ভাববাদ ও বাস্তববাদের মধ্যে পার্থক্য দর্শনের ইতিহাসে একদল দার্শনিক বলেন, জ্ঞেয় বস্তু (( যিনি কোনো বস্তু সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করে তাকে জ্ঞাতা আর যে বস্তু সম্পর্কে জ্ঞাণ লাভ করা হয় তাকে জ্ঞেয় বস্তু বলে। যেমন; আমার সামনে একটি কলম রাখা। এই কলমটি
অসীমের উপর গাণিতিক এবং দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি মুসলিম দার্শনিক ইমাম আল গাজ্জালী (র) মহাবিশ্বের শুরু সম্পর্কে ওয়েস্টার্ন দার্শনিকদের তত্ত্বের অসামাঞ্জস্যতা তুলে ধরতে বলেন, যদি মহাবিশ্ব প্রকৃত পক্ষেই অসীম কাল ধরে অস্তিত্ব এ থাকে তবে মহাবিশ্বে
Actuality & Potentiality : Proof for Transcendent Reality ধরুন একটা চেয়ার, যেখানে বসে আপনি এখন লেখাটি পড়ছেন। সেই চেয়ার এ থাকা উপাদান এর মধ্যে চেয়ার তৈরি হওয়ার Potentiality বা সম্ভাবনা ছিলো বলেই কিন্তু চেয়ারটি তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ চেয়ারে
Origin Of Life: An Unsolved Problem by Asief Mehedi বইটি লিখেছেন আসিফ মেহেদী। গ্রন্থস্বত্ব লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত প্রকাশকাল
অধিকাংশ দার্শনিক বা বিজ্ঞানী নাস্তিক হলে কী নাস্তিকতা সত্য হবে??
সাধারণত যে মতবাদ স্রষ্টার অস্তিত্বে বিশ্বাস করে না তাকে নাস্তিক্যবাদ বলে। এই মতবাদ অনুসারে জড় জগৎ হচ্ছে একমাত্র জগৎ, আর এই জগতের আড়ালে কোনো স্রষ্টা বা আধ্যাত্মিক শক্তির অস্তিত্ব নেই।